রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রবাস নিউজ

আদালতের নির্দেশে স্থগিত নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি • ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৯ সকাল • পঠিত: ৬০ বার
আদালতের নির্দেশে স্থগিত নিউইয়র্কের  বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের সর্ব বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের আগামীকালের  অনুষ্টিতব্য নির্বাচন আদালতের নির্দেশে স্থগিত হয়েছে। ফলে নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টার ও কম সময়ের আগে এ সিদ্ধান্তে প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

গত ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সাটফিন বুলেভার্ডের কুইন্স সুপ্রিম কোর্টে এ বিষয়ে শুনানি হয়। দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া শুনানি শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিচারক নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন। ফলে ২৫ অক্টোবর রোববার অনুষ্ঠেয় ভোটগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন ৫ নভেম্বর।
দুই মাস ধরে প্রার্থী ও প্যানেলগুলো প্রচার-প্রচারণা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও নির্বাচনী প্রস্তুতি চালিয়ে আসছিলেন। শেষ মুহূর্তে আদালতের আদেশে কার্যক্রম থেমে যাওয়ায় কমিউনিটিতে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন স্থগিতের কারণ, পরবর্তী করণীয় ও নতুন সময়সূচি নিয়ে ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আদালতের নির্দেশের বিষয়টি কমিউনিটিকে জানিয়েছে। এখন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপ ও নতুন নির্বাচনী সময়সূচির অপেক্ষায় রয়েছেন প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটাররা।
এর আগে ২০১৮ সালেও বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন আদালতের হস্তক্ষেপে স্থগিত হয়েছিল। সে সময় ভোটার তালিকা, নির্বাচন পরিচালনা ও ভোটগ্রহণের নিয়মে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংগঠনের সাবেক কর্মকর্তা ওসমান চৌধুরী মামলা করেন। আদালত সোসাইটি কর্তৃপক্ষকে অভিযোগের জবাব দিতে ২০ দিনের সময় দেন। একই বছরের অক্টোবরে আরও কয়েকজন সদস্য পৃথক মামলা করলে আইনি জটিলতায় নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।
প্রায় অর্ধশতাব্দীর পুরোনো বাংলাদেশ সোসাইটির নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩৬ হাজার। সংগঠনটির নির্বাচন বৃহত্তর নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এবারের নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন প্রার্থী ও প্যানেলের প্রচারণায় কমিউনিটিতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে বিভক্তিও দেখা দিয়েছে।
এখন সবার নজর ৫ নভেম্বরের শুনানির দিকে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই নির্ধারিত হবে নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে। 
কমিউনিটির বৃহত্তম এই নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ৭সদস বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন মোহাম্মদ আবু নাসের এবং ছয় জন কমিশনার হচ্ছেন যথাক্রমে বদরুল খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন আজাদ, রুহুল আমিন সরকার, আহবাব চৌধুরী খোকন, মিটু হামিদ ও মিয়া মোহাম্মদ দুলাল। এই নির্বাচনে ২১টি পদে দুটি প্যানেলে ৪২জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী সহ মোট ৪৩জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন:
Facebook Twitter WhatsApp