নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন আগামী ২৫ অক্টোবর, রোববার অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পাঁচটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন ৩৫ হাজার ২৬৯ জন। ভোট গণনা শেষে উডসাইডের ৫৮ ম্যানর থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
এবার ২১টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৩ জন প্রার্থী। বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন সেলিম-আলী প্যানেলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন কুনু-ফিরোজ প্যানেল। সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাব্বি ফজলে সৈয়দও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচন ঘিরে প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে। নির্বাচনসংশ্লিষ্ট মহলের অনুমান, সামগ্রিক নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রায় ২০ লাখ ডলার ব্যয় হতে পারে। তবে এ ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ ও নিরীক্ষিত হিসাব প্রকাশিত হয়নি।
বিপুলসংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণ, সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাকে নির্বাচন কমিশনের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশন গত ১১ আগস্ট নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে। বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে সাত সদস্যের নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আবু নাসের। কমিশনের অন্য ছয় সদস্য হলেন বদরুল হোসেন খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন আজাদ, মোহাম্মদ রুহুল আমিন সরকার, আহবাব চৌধুরী, মিঠু হামিদ ও মিয়া মোহাম্মদ দুলাল।নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকা যাচাই, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা, ভোটগ্রহণের আয়োজন, কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম তদারকি, ভোট গণনা এবং ফলাফল প্রকাশ।এবার বিপুল ভোটারসংখ্যার কারণে নির্বাচন কমিশনকে বাড়তি প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।
গঠনতন্ত্র সংশোধনের ফলে এবার কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর এবং পদসংখ্যা ১৯ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হয়েছে। নির্বাচিত নতুন কমিটি ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচনের জয়-পরাজয়ের পাশাপাশি সংগঠনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সাধারণ প্রবাসীদের কল্যাণে নতুন নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়েও কমিউনিটিতে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।