রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক

মোদির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছেন নেহা বোরা, তরুণদের আন্দোলনে নতুন মুখ

ডেস্ক রিপোর্ট • ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ সকাল • পঠিত: ১৩ বার
মোদির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছেন নেহা বোরা, তরুণদের আন্দোলনে নতুন মুখ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের প্রতিবাদে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠছেন ২৯ বছর বয়সী বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে রাজপথের আন্দোলনে তাঁর সক্রিয়তা এবং পুলিশের নজর এড়িয়ে বিক্ষোভ সংগঠিত করার কৌশল তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায় এনেছে। তবে এই জনপ্রিয়তা জাতীয় নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বিশ্লেষকদের।

রাজপথ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেহার উত্থান
ভারতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ এবং ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিতর্কের মধ্যে তরুণদের ক্ষোভ বাড়ছে। এসব ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব। সেই প্রতিবাদের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরা।

গত ১২ অক্টোবর বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে পদযাত্রা করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিসংবলিত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ওই পদযাত্রায় রাহুলের সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এবং নেহা বোরা। বিরোধী রাজনীতির পরিচিত মুখগুলোর পাশে নেহার উপস্থিতি তাঁর ক্রমবর্ধমান পরিচিতির বিষয়টি সামনে আনে।

রাজপথের আন্দোলনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নেহাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। তাঁর প্রতিবাদ ও পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার বিভিন্ন দৃশ্য জুড়ে তৈরি হচ্ছে রিলস, যা ছড়িয়ে পড়ছে বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর কাছে। এমনকি সফটওয়্যার নির্মাতারা তাঁকে নিয়ে সুপার মারিও ধাঁচের একটি ভিডিও গেমও তৈরি করেছেন। সেখানে পুলিশের বাধা পেরিয়ে ‘গণতন্ত্র পয়েন্ট’ সংগ্রহ করে এগিয়ে যায় গেমের চরিত্রটি।

দিল্লির ২৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী নিশিতা নাথ নেহার জনপ্রিয়তা বোঝাতে তাঁকে ‘গণতন্ত্রের দেবী’ হিসেবে অভিহিত করা যায় কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি নেহার সঙ্গে হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকর্মী অ্যাগনেস চাউয়ের তুলনাও করেছেন। তবে নিজেকে এমন কোনো উপাধিতে দেখতে আগ্রহী নন নেহা।

পুলিশের নজর এড়িয়ে বিক্ষোভ সংগঠনের কৌশল
গত ১০ অক্টোবর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নেন তরুণ আন্দোলনকারীরা। ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা আন্দোলনকারীদের আটক করে পুলিশ। কয়েকজন ছাত্রনেতাকে বাড়িতে নজরবন্দী করার অভিযোগও ওঠে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কয়েকজন নেতাকেও আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে নেহা পুলিশের নাগালের বাইরে থেকে সমর্থকদের নিয়ে কর্মসূচি আয়োজন করেন। ওই দিন বিকেলে ইনস্টাগ্রাম লাইভে এসে তিনি দক্ষিণ দিল্লির একটি এলাকায় কয়েক শ মানুষকে নিয়ে মিছিল শুরু করেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর পুলিশ তাঁকে আটক করে ভ্যানে তুলে নেয়। কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আইসার ২৫ বছর বয়সী ছাত্রনেতা দানিশ আলী জানান, পুলিশের অভিযানের আশঙ্কায় সংগঠনের কর্মীরা আগেই নেহাকে আড়ালে রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, নির্বাচনী রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার আগে সংগঠনটি দীর্ঘ সময় গোপনে কাজ করেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকটা গেরিলা কৌশলের মতো পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তবে পুলিশের চোখ এড়িয়ে আন্দোলন পরিচালনার এই কৌশল নেহার জনপ্রিয়তা বাড়ালেও তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আন্দোলনের সমর্থনকে দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক শক্তিতে রূপান্তর করার ওপর।

জেএনইউয়ের রাজনীতি থেকে জাতীয় পরিচিতি
দিল্লির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় এক দশক ধরে শিল্পকলায় পড়াশোনা করেছেন নেহা। তিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) নাট্যকলায় পোস্টডক্টরাল পর্যায়েও পড়াশোনা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টি ভারতের ছাত্ররাজনীতি ও বিভিন্ন আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

জেএনইউয়ে পড়ার সময় নেহা যোগ দেন আইসায়। ১৯৯০ সালের আগস্টে প্রতিষ্ঠিত এই ছাত্রসংগঠনটি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী–লেনিনবাদী) লিবারেশনের সঙ্গে যুক্ত। সংগঠনটি কয়েক দশক ধরে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নেহা ও তাঁর সহকর্মীরা যন্তর মন্তরে কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। ওই সময় ককরোচ জনতা পার্টির কর্মীরাও সেখানে আন্দোলন করছিলেন। পরে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে নেহার টানা ২৩ দিনের অনশন তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করে তোলে বলে মনে করেন তাঁর সহকর্মীরা।

আইসার জ্যেষ্ঠ নেতা ও নেহার পরামর্শক এন সাই বালাজির মতে, এই অনশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে নেহার রাজনৈতিক অবস্থান ও আন্দোলনের বার্তা পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়। সরকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে হতাশ তরুণদের একটি অংশ তাঁর মধ্যে নতুন আশার সন্ধান পেয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

বাম রাজনীতির ঐতিহ্য ও নেহার অবস্থান
নেহার রাজনৈতিক উত্থান বুঝতে আইসার ঐতিহাসিক পটভূমিও গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠনটি ভারতের বামপন্থী রাজনীতির একটি ধারার প্রতিনিধিত্ব করে। এর সঙ্গে যুক্ত মূল রাজনৈতিক দল সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের ঐতিহাসিক শিকড় রয়েছে ১৯৬০-এর দশকের নকশাল আন্দোলনে।

পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়ি অঞ্চলে কৃষক বিদ্রোহ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ওই আন্দোলনের বিকাশ ঘটে। পরবর্তী সময়ে নকশালপন্থী রাজনীতির বিভিন্ন ধারার মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়। সিপিআই (এমএল) লিবারেশন নব্বইয়ের দশকে সংসদীয় গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে আসে। তবে ভারতের বামপন্থী রাজনীতির অন্য কিছু অংশ সশস্ত্র আন্দোলনের পথেও সক্রিয় রয়েছে।

আইসার নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অতীতের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা বর্তমানের আন্দোলন পরিচালনায়ও কাজে লাগছে। ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী ভগত সিংয়ের প্রতিরোধের ইতিহাস থেকেও তাঁরা অনুপ্রেরণা নেন। ভগত সিং ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের কাছে শ্রদ্ধার ব্যক্তিত্ব হলেও বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে তাঁর আদর্শিক সম্পর্ক বিশেষভাবে আলোচিত।

অন্যদিকে ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বামপন্থী আন্দোলনের সমালোচনা করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি গত আগস্টে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে ‘আরবান নকশাল’ বা ‘বুদ্ধিজীবী নকশাল’দের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেন। বিজেপি বিভিন্ন সময়ে সরকারের সমালোচক ও বিরোধীদের বোঝাতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করেছে বলে সমালোচকেরা অভিযোগ করেন।

নেহার মতে, বামপন্থী রাজনীতির প্রতি বিজেপির বিরূপ অবস্থানের পেছনে রাজনৈতিক আশঙ্কা রয়েছে। আল-জাজিরাকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী ঐতিহ্যের সঙ্গে বামপন্থীদের সম্পর্ক তুলে ধরেন।

পরিবারে মতপার্থক্য, রাজনীতিতে দৃঢ় অবস্থান
উত্তরাখন্ডের খাতিমা শহরে জন্ম নেহার। তাঁর বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। বাবার কর্মসূত্রে পরিবারকে জম্মু, বেঙ্গালুরু, অমৃতসর ও লক্ষ্ণৌসহ বিভিন্ন শহরে থাকতে হয়েছে।

কৈশোরে পরিবারের রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য বাড়তে থাকে। নেহার বাবা-মাসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বিজেপির সমর্থক। তাঁদের সঙ্গে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দূরত্ব তৈরি হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

নেহার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতা আরও গভীর হয়। ওই সংশোধনী মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যমূলক হতে পারে বলে সমালোচকেরা আপত্তি তুলেছিলেন। সেই আন্দোলনের অভিজ্ঞতা থেকেই ছাত্ররাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে।

আইসার নেতা দানিশ আলীর মতে, জেএনইউয়ে পড়ার সময় নেহা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, প্রচারপত্র বিলি করেছেন এবং সংগঠনের পক্ষে সমর্থন চেয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তাঁর জীবনের বড় অংশজুড়ে রয়েছে। মুসলিম রাজনৈতিক বন্দী ওমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের মুক্তির দাবিতেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো ও দীর্ঘ কারাবাস নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে নেহা পাকিস্তানি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের কাওয়ালি শুনতে পছন্দ করেন। তাঁর বন্ধুদের ভাষ্য, তিনি নিজেও গান গাইতে পারেন এবং ডাফলি বাজান। তাঁদের মতে, সংগীত ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাষা বোঝার ক্ষমতা তাঁকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সহজে সংযোগ স্থাপনে সাহায্য করেছে।

জনপ্রিয়তা কি ভোটের রাজনীতিতে রূপ নেবে?
নেহাকে ঘিরে তরুণদের আগ্রহ বাড়লেও তাঁর সামনে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আইসার সাংগঠনিক প্রভাব মূলত বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্দিষ্ট কিছু ছাত্রাঞ্চলে সীমিত। সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত সিপিআই (এমএল) লিবারেশনও জাতীয় পর্যায়ে তুলনামূলকভাবে ছোট রাজনৈতিক দল। প্রতিবেদনে দলটির সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব সীমিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নয়াদিল্লিভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিম আলীর মতে, ছাত্ররাজনীতিতে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেই সংসদীয় নির্বাচনে সফল হওয়া যায় না। নির্বাচনে জয়ী হতে হলে নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক ভিত্তি, নির্ভরযোগ্য ভোটারগোষ্ঠী এবং কার্যকর রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক প্রয়োজন। তাঁর মতে, আইসার সেই ধরনের বিস্তৃত নির্বাচনী কাঠামো নেই।

আসিম আলী আরও মনে করেন, নেহার মতো ছাত্রনেতাদের সামনে একটি সম্ভাব্য পথ হতে পারে কংগ্রেসের মতো বড় জাতীয় দলে যোগ দেওয়া বা তাদের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়া। তবে প্রতিষ্ঠিত নেতাদের প্রভাবের মধ্যে জায়গা করে নেওয়া এবং নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচয় ধরে রাখাও সহজ হবে না।

তবে নেহার সমর্থকদের দাবি, তাঁর জনপ্রিয়তা কেবল দলীয় পরিচয়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর উপস্থিতি এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয়তা তরুণদের একটি অংশকে আকৃষ্ট করছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিশিতা নাথ আইসার সদস্য না হয়েও নেহার আন্দোলনে অংশ নেন। নেহার বক্তব্য ও প্রতিবাদী উপস্থিতি তাঁকে অনুপ্রাণিত করে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মোদি সরকারের জন্য কতটা চ্যালেঞ্জ?
মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দল, ছাত্রসংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিবাদী গোষ্ঠীর আন্দোলন অব্যাহত থাকলে নেহার মতো নতুন প্রজন্মের নেতাদের পরিচিতি আরও বাড়তে পারে। তবে সেই পরিচিতি সরকারের জন্য সরাসরি নির্বাচনী চ্যালেঞ্জে পরিণত হবে কি না, তা নির্ভর করবে আন্দোলনের বিস্তার, সংগঠনের শক্তি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।
বিশ্লেষক আসিম আলীর ধারণা, নেহা সাময়িক জনপ্রিয়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না; ভারতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান তৈরি করার সম্ভাবনা তাঁর রয়েছে। কিন্তু রাজপথের সমর্থনকে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাব এবং ভোটের সাফল্যে রূপান্তর করাই হবে তাঁর সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
সংবাদটি শেয়ার করুন:
Facebook Twitter WhatsApp